করোনা থেকে সমাজকে বাঁচাতে বিশ্ব জুড়ে ত্রাণ কার্যে নামতে চলেছে রামকৃষ্ণ মিশন

চ্যানেল ওম ডেস্ক:

দেশে বন্যা হোক বা ভূমিকম্প, সেখানেই ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে সর্ব শক্তি নিয়ে তাঁদের উদ্ধার থেকে খাওয়া দাওয়া, পোশাক নিয়ে হাজির থাকতে বারবারই দেখা গিয়েছে তাঁদের । এবার বিশ্ব জুড়ে মারণ রোগে বিপর্যস্ত অনাহারে থাকা মানুষদের কাছে ত্রাণ পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নিল রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন। করোনা থেকে সমাজকে বাঁচাতে মিশনের সব শাখা সংগঠনে ভক্তদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি আগেই করেছিল রামকৃষ্ণ মিশন , করোনা ভাইরাস থেকে সমাজ কে বাঁচাতে বিশ্বের প্রায় সব জায়গাতেই জারি হয়েছে লক ডাউন, যার জেরে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষরা কাটাচ্ছে অনাহারে, এই সব মানুষদের পশে দাঁড়াতে বিশ্ব জুড়ে ত্রাণ কার্যে নামতে সঙ্ঘের সমস্ত শাখা কেন্দ্রকে ত্রাণ কাজে সামিল হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি উত্তর প্রদেশ, চেন্নাই, তামিলনাড়ু, দিল্লি সহ ভিন রাজ্যের শাখা কেন্দ্র থেকে ইতিমধ্যেই ওই ত্রাণ কাজ চালু হয়েছে। বিদেশেও বেশ কিছু শহরে থাকা রামকৃষ্ণ মিশনের শাখা সংগঠন গুলিও নামতে চলছে ত্রাণ কার্যে | স্যানিটাইজ়ার, মাস্কের পাশাপাশি দরিদ্রদের চাল, ডাল, আলু দেওয়া হচ্ছে। কোথাও আবার দেওয়া হবে তৈরি করা খিচুড়ি। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দজী বলেন, দেশ জুড়ে লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যেও ত্রাণ কাজ খুব জোর কদমে করা অসম্ভব। জিনিস পত্রের অমিল ও একসঙ্গে অনেক মানুষকে এক জায়গায় রাখাটাও রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা থেকে যাবে তাই যতটা সম্ভব করা হচ্ছে। লকডাউন উঠে গেলে পুরোমাত্রায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণ কাজ শুরু করা হবে। এ রাজ্যে থাকা রামকৃষ্ণ মিশনের বিভিন্ন কলেজে গুলিতে বানানো হচ্ছে স্যানিটাইজ়ার। সেই স্যানিটাইজ়ারের বোতল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন এলাকার বস্তি এলাকায়। তা ছাড়াও বিলি করা হচ্ছে কাপড়ের তৈরি মাস্ক। বেলুড় সারদাপীঠের সম্পাদক স্বামী দিব্যানন্দজী জানান, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশ মতো স্থানীয় বালি, বেলুড়ের স্থানীয় এলাকায় ত্রাণ কাজ শুরু করা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে রোগ থেকে বাঁচতে মাস্ক ও স্যানিটাইজ়ারের বিলি শুরু করা হয়েছে | খাদ্য সামগ্রী পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে |

Leave A Reply

Your email address will not be published.