৩০০ টাকায় করোনা ভাইরাস সনাক্তের কীট আবিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিলেন ডঃ বিজন কুমার শীল


বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ খ্যাত নতুন করোনা ভাইরাস পরীক্ষার সহজ ও স্বল্পমূল্যের পদ্ধতি (টেস্টিং কিট) উদ্ভাবন করেছেন ডঃ বিজন কুমার শীল। কিছুক্ষণ আগে এমনটাই দাবি করা হয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে। এতে মাত্র ৩০০ টাকায় ১৫ মিনিটেই করোনা শনাক্ত হবে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির। আজ বুধবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন ‘এটা সত্যি ঘটনা। এটা একটা ভিন্ন পদ্ধতি। এর নাম হলো- র‌্যাপিড ডট ব্লট। ২০০৩ সালে যখন সার্স ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল তখন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুর গবেষণাগারে কয়েকজন সহকারীকে নিয়ে সার্স ভাইরাস দ্রুত নির্ণয়ের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ‘র‌্যাপিড ডট ব্লট’ পদ্ধতিটিও ড. বিজন কুমার শীলের নামে পেটেন্ট করা। পরে এটি চীন সরকার কিনে নেয় এবং সফলভাবে সার্স মোকাবেলা করে। ডঃ বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুরে গবেষণা করছিলেন ডেঙ্গুর ওপরে। গবেষণা চলাকালে তিনি দুই বছর আগে বাংলাদেশে এসে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগ দেন এবং দেশেই তিনি ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করছিলেন। যখন গত বছরের ডিসেম্বরে নতুন করোনা ভাইরাস দেখা দিলো, তখন তিনি আগেই বুঝতে পেরেছিলেন, এটা (নতুন করোনা ভাইরাস) হলো সার্সের রূপান্তরিত রূপ এবং কিছুদিন পর ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে। তখন কেউ চিন্তা করে নাই করোনা ভাইরাস এমন হতে পারে। অথচ তিনি তার সহকর্মীদের সেইসময় বলেছিলেন, “করোনা ভাইরাস নিয়ে আমাদের গবেষণা করা দরকার। এবং সেইসাথে গত দুই মাসে করোনার উপর গবেষণা পারফেক্টলি করার চেষ্টা করেন। উনার আবিষ্কৃত পদ্ধতিতে ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা যাবে। স্বল্প সময়ে আর স্বল্প খরচে অধিক মানুষের উপর করোনা পরীক্ষা করে বহু প্রাণহানিও এড়ানো যাবে। করোনা ভাইরাস সনাক্তকরণের এই কীট সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। দ্রুততম সময়ে অনুমোদন দেওয়া হোক সেইসাথে এই যন্ত্রের উপর কোন প্রকার ট্যাক্স বা ভ্যাট আরোপ না করার অনুরোধ করছি। সরকার যদি ট্যাক্স ভ্যাট আরোপ না করে তাহলে ৩০০ টাকার চাইতে আরো কমে মাত্র ২০০/২৫০ টাকায় এই যন্ত্র পাওয়া যেতে পারে।।

Leave A Reply

Your email address will not be published.