সাতকানিয়া মধ্যম ধর্মপুর সার্বজনীন শ্রী শ্রী বাসন্তীপূজার কিছু কথা

রুবেল দাশ, সাতকানিয়া প্রতিনিধিঃ

সাল তখন ৭০, ৮০ এর দিকে। তখনকার যুগে একটা পূজা করতে পারা মানে অনেক বড় কিছু। তখন পাড়ার কিছু উদ্যোক্তা বান ব্যক্তি সিদ্ধান্ত নেন বাসন্তীপূজা করার। কিন্তু যেই জায়গাটাতে পূজা করার সিদ্ধান্ত নেন সেই জায়গাটা ছিল একটু জঙ্গলের মত। উনারা সেটা পরিস্কার করে দিনরাত পরিশ্রম করে সেখানে মাটির একটা মন্দির তৈরি করে, যেটাকে সবাই দূর্গাবাড়ি হিসেবে মানতেন এবং জানতেন। এরপর থেকে শুরু হয় মধ্যম ধর্মপুর খামার পাড়ার সার্বজনীন শ্রী শ্রী বাসন্তীপূজা। এত ঝড়তুফানের পরেও পাড়ার লোকজন অনেক কষ্টের বিনিময়ে পুজোটি করে এসেছে। কিন্তু এর কিছুবছর পরে ১৯৯১ সালের প্রলয়াংকারি ঘুর্ণিঝড় সবকিছু শেষ করে দে, এরপর থেকে অভাব পরিস্থিতির কারণে পূজাটা হচ্ছিলনা। কিন্তু একটা আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে, পূজাটা যখন হচ্ছিলনা ঠিক এর এক বছর পর থেকে ওইখানে সন্ধ্যা হলেই প্রায়সময় শঙ্খ ঘণ্টা বাজানোর শব্দ শুনা যেত। এই শঙ্খ ঘন্টার শব্দটা শুধু আশেপাশের মানুষরাই শুনত তা কিন্তু নয়, ওইদিক দিয়া একটা ব্রাহ্মণ্য প্রতিদিন পূজা করতে যেত উনিও অনেকবার শুনত এবং উনিও বলছিল যে এইখানে প্রায়সময় শঙ্খ ঘন্টার শুব্দ শুনা যায়। শুধু এইটুকু নয়, এই পূজাটা যখন হচ্ছিলনা অনেক জনকে অনেককিছু দেখায়ছে। এইরকম অনেক কথা আছে যেগুলা শুনলে মানুষের ঘা শিউরে দিয়ে উঠে। ঠিক এর কিছু বছর পর থেকে আবার শুরু করা হয় এই বাসন্তী পূজাটা। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেটা আবার গত দুই বছর ধরে হচ্ছিলনা। তবে মাতৃচরন পিয়াসি সন্তানরা তো আর মাতৃচরনের কৃপা ছাড়া থাকতে পারে না এরই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে মধ্যম ধর্মপুরের ঐতিহ্যবাহী সার্বজনীন শ্রী শ্রী বাসন্তীপূজাটি ৩৯ বছরের মাথায় এসে আবারো নতুনভাবে নতুন রূপে মধ্যম ধর্মপুর উদয়ন ক্লাবের উদ্যোগে এই পূজাটি শুভআরম্ভ করতে যাচ্ছে। অতএব অএ পাড়ার সকল ভক্তসন্তানদের সর্বাথক চেষ্টা একান্ত কাম্য।

Leave A Reply

Your email address will not be published.